surmavoice24.com
সিলেটশুক্রবার, ১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:০২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঋণ দেওয়ার নামে লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ


জুলাই ১০, ২০২৩ ১০:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ (প্রতিনিধি):-দোয়ারাবাজারে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের ঋণ দেওয়ার নামে লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। টকা ফেরত চেয়ে সোমবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে ক্ষতিগ্রস্ত আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২৩ ঘরের বাসিন্দারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের বাঁশতলা কলোনীতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের মধ্যে ২৪ পরিবারের মধ্যে ঘর হস্তান্তরের পর একই গ্রামের মৃত মকদ্দছ আলীর পুত্র আকবর আলী ওরফে কালা মিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রায় ৭ মাস পূর্বে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা করে আদায় করেন। এরমধ্যে কোনো প্রকার ঋণ পাওয়া তো দূরের কথা তাদের দেওয়া টাকাও ফেরত পাওয়া এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ঋণ বা টাকা চাইলে কালা মিয়া বলেন সমাজসেবা অফিসে সমিতি নিবন্ধন করা বাবদ টাকা খরচ হয়েগেছে। টাকা চাইলে ২৩ পরিবারকে মারধর করার হুমকি ধমকি দেয়। সোমবার টাকা উদ্ধার ও প্রতিকার চেয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২৩ পরিবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
এসময় বাংলাবাজার ইউনিয়নের ৪,৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্যা বকুল আক্তার বলেন, আকবর আলী ওরফে কালা মিয়া ২ লাখ টাকা করে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রত্যেক ঘর থেকে ৪/৫ হাজার করে টাকা নিয়েছেন। উপজেলা সমবায় অফিসারের যোগসাজশে কালা মিয়া লাখ টাকা আত্মসাৎ করার পায়তারা করছে। এখন টাকা ফেরত চাইলে সময় ক্ষেপণ করেন এবং মারধর করার হুমকি ধমকি দেন।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা আব্দুল জলিল কালা মিয়া আমাদের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়েছেন। গত ৭/৮ মাসেও ঋণ তো দূরের কথা আমাদের দেওয়া টাকাগুলো ফেরত পাইনি। এখন টাকা ফেরত চাইলে তিনি বলেন, আমাদের টাকা সমিতি নিবন্ধনের কাজে খরচা হয়ে গেছে।
আবুল মিয়া বলেন, ঋণ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের কাছ থেকে কালা মিয়া টাকা নিলেও এখন পর্যন্ত আমরা কোন ঋণ পাইনি এবং আমাদের টাকাও পাইনি।
সত্যতা জানতে চাইলে আকবর আলী ওরফে কালা মিয়া বলেন, আমি সমিতি নিবন্ধন বাবদ প্রত্যেকের কাছ থেকে ৩১ শ টাকা করে নিয়েছি। তন্মধ্যে ২ হাজার টাকা করে ব্যাংকে ২৪ জনের টাকা জমা আছে। বাকী ১১ শ টাকা সমিতি নিবন্ধনের কাজে খরচ হয়েছে।

দোয়ারাবাজার সমবায় অফিসার মোফাজ্জল হোসন বলেন, আমি শূনেছি কালা মিয়া টাকা উঠিয়েছে কিন্ত কত টাকা উঠিয়েছে আমার জানা নেই।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফ মুর্শেদ মিশু বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।